বিশেষ ঘোষণা
সকল নোটিশ
School Campus Banner
School Campus Banner
School Campus Banner
Welcome To

দত্তপাড়া রামরতন বহুমুখী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়

শত বছরের প্রাচীন বিদ্যাপীঠ দত্তপাড়া রামরতন বহুমুখি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। দত্তপাড়া রামরতন বহুমুখি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। চন্দ্রগঞ্জ থানার এক মাত্র প্রাচীন বিদ্যাপীঠ ও দেশের বিখ্যাত অনেক সূর্য সন্তানের গর্ভধারীনি বিদ্যা পীঠের নাম দত্তপাড়া রামরতন বহুমুখি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠার পর বিগত ১১০ বছর ধরে এ বিদ্যালয়টি জ্ঞানের মশাল জ্বালিয়ে গিয়াছে এই বিদ্যালয়টি। ১৯১২ সালে দত্তপাড়া চৌধুরী বাজারের উত্তর পাশে মনোরম পরিবেশে শ্রীযুক্ত বাবু যদুনাথ গুহ রায় পূর্ব পুরুষের স্মৃতি রক্ষার্থে এই বিদ্যালয়টি স্থাপন করেন। প্রতিষ্ঠাকালে এ বিদ্যালয়ের নাম দেওয়া হয় দত্তপাড়া রামরতন ইংরেজী হাই স্কুল। পরবর্তীতে এই বিদ্যালয়টির নাম দেওয়া হয় দত্তপাড়া রামরতন বহুমুখি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। লক্ষ্মীপুর জেলার সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন ৮নং দত্তপাড়া ইউনিয়নের প্রান কেন্দ্র দত্তপাড়া গ্রামে অপরূপ নৈসর্গিক ছায়া সুনিবিড় পরিবেশের বিশাল জলধারা (দিঘীর) উত্তর পাশে বটতলী-চাটখীল ও বটতলী –সোনাইমুড়ি সড়কের পাশে মনোরম পরিবেশে অবস্থিত দত্তপাড়া রামরতন বহুমুখি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। বর্তমানে বিদ্যালয়টি ১৯১২ সালে প্রতিষ্ঠা হলে ও এর আগে একই স্থানে ১৯০৫সালে জমিদার শ্রী রাধা মোহন গুহ তার পুত্র জমিদার যদুনাথ গুহকে সাথে নিয়ে এই এলাকায় শিক্ষা বিস্তারে একটি ইংরেজি বিদ্যালয় স্থাপন করে । বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পর পরি ব্রিটিশ সৈন্যরা বিদ্যালয়টিতে ক্যম্প স্থাপন করে দখল করে নেয়। ফলে বিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। এক পর্যায়ে ১৯১০সালে বিদ্যালয়টি পুড়িয়ে দেওয়া হয়। ১৯১২সাল মোতাবেক বাংলা ১৩১৮ সালে জমিদার যদুনাথ গুহ রায় পূর্ব পুরুষের স্মৃতি রক্ষার্থে বিপুল পরিমান ভূ-সম্পত্তি দান পূর্বক তার কাকা শ্রীযুক্ত বাবু রামরতন গুহ রায় এর নামে “দত্তপাড়া রামরতন ইংরেজী হাই স্কুল “ নাম করন করেন। ইংরেজদের পুড়িয়ে দেওয়া বিদ্যালয়টির কার্যক্রম নতুন ভাবে শুরু করেন। দত্তপাড়ার সেই জমিদারদের জমিদারী আর অতীত গৌরব আজ বিলিন হয়ে গেলেও তাদের অতীত ঐতিয্যর স্মৃতি বুকে ধারন করে কালের স্বাক্ষি হয়ে বিদ্যালয়টি এলাকার জ্ঞানের মশাল জ্বালিয়ে চলছে। ভারত বিভক্তির পূর্ব পর্যন্ত এই বিদ্যালয়ে যারা শিক্ষকতা করেছেন আদের মধ্য প্রথিত যশা কয়েকজন শিক্ষক হলেন প্রধান শিক্ষক শ্রী বারদাকৃষ্ণ মজুমদার, সহকারি শিক্ষক শশী ভূষন বোস , বাবু শ্রী এসি মিত্র এম এ, বাবু শিব প্রসন্ন চক্রবত্তী, বাবু উপেন্দ্র কুমার নাহা,বাবু অনন্ত কুমার বোস ,বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি ও গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তত্ত্বধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা্ মোহাম্মাড শাহাজাণ, বিবিসির সংবাদ পাঠক সিরাজুল ইসলাম, অধ্যাপক মনির চৌধুরি, ইঞ্জিনিয়ার মোঃ নুরুজ্জমান,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড, তোফায়েল আহাম্মদ সহ জগত বিখ্যাত অনেক লেখক, কবি, সাহিত্যক ও সরকারের অনেক উর্ধতন কর্মকর্তা এই বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন এবং আছেন। এ বিদ্যালয়ের ছাত্র বাবু ভূপতি চ্যাটার্জি কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ৬ষ্ঠ স্থান মিঃ রতন মিত্র ৫ বিষয়ে লেটারসহ পাশ করে পূর্ব বঙ্গে দত্তপাড়া রামরতন বহুমুখি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের খ্যাতি সর্বত্র ছড়িয়ে দেন। এই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় যাদের দান অবদান তাদের সম্পর্কে আলোকপাত না করলে নয়। কারন এই বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতাদের ইতিহাসের সাথে জড়িত আছে বৃহত্তর নোয়াখালীর প্রচিন ইতিহাস। আমরা জানি নোয়াখালীর প্রাচিন নাম ভুলুয়া। এই ভুলুয়া জমিদারির ১০ আনা মালিক ছিলেন দত্তপাড়ার ঐতিয্যবাহী চৌধুরী পরিবার।বাকী ৬ আনা অংশের মালিক ছিলেন ৬ জন জমিদার। য্রর কারনে চৌধুরী পরিবারের নামের আগে রাজ শব্দটি যুক্ত রয়েছে। তাদের দাবি তারা ঐতিহাসিক শুর রাজ বংশের উত্তরসূরি। ঐতিহাসিক দের মতে এক সময় মোঘল সম্রাট শুর রাজাদের কাছ থেকে রাজ্য কেড়ে নিয়ে ভুলুয়া মোঘল রাজ্য কায়েম করেন। ফলে তারা রাজত্ত হারান।পরবর্তীতে শূর বংশীয় কবি কীর্তি নারায়ন মোঘল থেকে জমিদারী বন্দোবস্ত নিয়ে ভুলুয়া জমিদারি শুরু করেন। পরবর্তীতে তারা ইংরেজ দের কাছ থেকে চৌধুরি উপাধী ধারন করেন। দত্তপাড়া পার্শবত্তী দেওয়ানজীরা চৌধুরীদের জমিদারী খাজনা আদায়ের জন্য জমিদারী এলাকার বিভিন্ন স্থানে কাচারি স্থাপন করে প্রজাদের কাছ থেকে খাজনা আদায় করেন। চৌধুরীরা দাফটের সাথে জমিদারি করতে থাকলে ও এক সময় চৌধুরীদের কাছ থেকে দেওয়ানজীরা জমিদারীর সিংগ ভাগ কিনে নেয়। এক সময় চৌধুরীদের বৌধ উদয় হয়। তারা দায়িত্ব থকে বের করে দেয় দেওয়ানদের , কিন্তু ততক্ষনে জমিদারির ১২ আনা চলে যায় দেওয়ানজীদের হাতে। এক সময় দেওয়ানরা তাদের জমিদারিতে মননিবেশ করেন । আর অপমানের প্রতিশোধ নিতে মারিয়া হয়ে উথেন। তারা নিজ বাড়িতে বড় বড় দালান ও বাড়ির পাশে বাজার বসিয়ে ও প্রজাদের মন জয় করতে পারেনি। এক পর্যায়ে চৌধুরি ও দেওয়ানদের মধ্য দা-কুমড়ো সম্পর্ক গড়ে উঠে। কে কাকে কিভাবে ক্ষতি গ্রস্থ্র করতে পারে সে চেষ্টা অব্যাহত থাকে । জানাযায় ,দেওয়ানজিরা এতো বেশি প্রতিশোধ পরায়ন হইয়ে যায় চৌধুরীদের এক অনুষ্ঠানে তারা চৌধুরীদের চাকরানীকে নিজেদের আয়ত্তে নিয়ে নেয়। চৌধুরীদের এক অনুষ্ঠানে তারা দাওয়াত খেয়ে যাওয়ার সময় চাকরানীদের দিয়ে খাবারে বিষ মিশিয়ে দেয় ।বিষ মিশ্রিত খাবার অতিথিদের পরিবেশন করা হয়। এতে ১৮০ জন বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। এ হৃদয় বিদারক ঘটনা নিয়ে সে সময় থেকে এই এলাকা একটি শ্লোক প্রচলিত হয় ,তাহলো “দত্তপাড়া পূর্নকাশী, বিষ খেয়ে মরে ১৮০”। দেশ বিভক্তির পর ১৯৪৭-৪৮ সালে এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেল আব্দুল মতিন এম এ। ১৯৪৮সাল থেকে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন বিশিষ্ট কবি ও লেখক আব্দুল ওয়াদুদ এম এ বি টি।১৯৬৫ সালে থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন মজিবুল হক এম এ। ১৯৭২ সালে মজিবুল হক স্যারের মৃত্যুর পর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহন করেন নজরুল ইসলাম। ১৯৭৬সালে বিদ্যালয়ে এস এস সি পরীক্ষা কেন্দ্র চালু হয়। ১৯৮৭সালে নজরুল ইসলাম বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকপদ থেকে অবসর গ্রহন করেন। ১৯৮৭ সাল থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত এ বিদ্যালয়ে এক ক্লান্তি কাল অতিক্রম করেন.১৯৯২সালে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহন করেন বাবু মতি লাল দেবনাথ এম এস সি বি এড.১৯৯৭ সালে তিনি দায়িত্ব থেকে অবসর গ্রহন করেন।এই সময় প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহন করেন বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র বাবু রামেন্দ্র লাল মজুমদার।২০১৫ সালে তিনি অবসর গ্রহন করার পর প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহন করেন বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক ও সাবেক সিনিয়র শিক্ষক মোহাম্মদ হানিফ। তার নেতৃত্বে বিদ্যালয়টি দক্ষতার সহিত পরিচালিত হয়ে আসছে।বর্তমানে এ বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান,মানবিক ও ব্যবসা শিক্ষায় ছাত্র-ছাত্রীরা অধ্যায়নের সূযোগ পাচ্ছে।

আরও জানুন (Read More)
জনাব মোহাম্মদ হানিফ

প্রধান শিক্ষকের বাণী

MESSAGE

প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দ এবং সম্মানিত অভিভাবকগণ, আসসালামু আলাইকুম ও শুভেচ্ছা। আজ এই মঞ্চে দাঁড়িয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে, আমাদের দত্তপাড়া রামরতন বহুমুখী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ন...

জনাব মোহাম্মদ হানিফ

প্রধান শিক্ষক — দত্তপাড়া রামরতন বহুমুখী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়

মোঃ বেল্লাল হোসেন

সভাপতির বাণী

CHAIRMAN

প্রিয় শিক্ষার্থী, শিক্ষকবৃন্দ ও সম্মানিত অভিভাবকগণ, আসসালামু আলাইকুম ও শুভেচ্ছা। আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে আজ আমরা আমাদের প্রিয় বিদ্যালয় দত্তপাড়া রামরতন বহুমুখী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে একত্রিত হয়েছি। আমাদের বিদ্যালয়...

মোঃ বেল্লাল হোসেন

সভাপতি — দত্তপাড়া রামরতন বহুমুখী আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়

1

অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী

17

দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষক

আমাদের গৌরবোজ্জ্বল পটভূমি

প্রতিষ্ঠানের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও ঐতিহ্য

সেরা বিদ্যাপীঠ
শিক্ষক

আমাদের সম্মানিত শিক্ষক মণ্ডলী

অভিজ্ঞ, দক্ষ ও নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষকবৃন্দের সার্বক্ষণিক দিকনির্দেশনায় আমাদের শিক্ষাদান পরিচালিত হয়।

আরিফা খাতুনবিবরণ

আরিফা খাতুন

সহকারী শিক্ষক

B.A (Hons), M.A B.Ed

কৃষ্ণ ধন শর্মাবিবরণ

কৃষ্ণ ধন শর্মা

সহকারী শিক্ষক

M.Sc B.Ed (1st class)

খায়রুল বাসারবিবরণ

খায়রুল বাসার

কম্পিউটার ল্যাব অপারেটর

Diploma In Engineering (Computer Technology)

তাইয়্যিবা বিনতে ইয়াকুববিবরণ

তাইয়্যিবা বিনতে ইয়াকুব

সহকারী শিক্ষক

B.A (Hons) M.A B.Ed

বিপ্লব চন্দ্র মজুমদারবিবরণ

বিপ্লব চন্দ্র মজুমদার

সিনিয়র শিক্ষক

B.S.S B.Ed

মাহবুবুর রহমানবিবরণ

মাহবুবুর রহমান

সিনিয়র শিক্ষক

B.Com (Hons), M.Com B.Ed

মাহমুদা নাসরিন পলিবিবরণ

মাহমুদা নাসরিন পলি

সহকারী শিক্ষক

B.Sc (Hons) B.Ed

মুনমুন রানি দাশবিবরণ

মুনমুন রানি দাশ

সহকারী শিক্ষক

M.A (Bangla) , Kabbotrittho

সকল শিক্ষক দেখুন (View All Teachers)
ফটোগ্যালারি

ক্যাম্পাস ও বিভিন্ন কার্যক্রমের স্থিরচিত্র

বিদ্যালয়ের জাতীয় দিবস উদযাপন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের কিছু স্মরণীয় মুহূর্ত

সম্পূর্ণ গ্যালারি দেখুন
বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা

সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

1

পরিচালনা পর্ষদ সদস্য

0

আধুনিক শ্রেণি ও ল্যাব কক্ষ

স্থাপিত ১৯১২
বিদ্যালয়ের ইতিহাস

শত বছরের প্রাচীন বিদ্যাপীঠ দত্তপাড়া রামরতন বহুমুখি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। দত্তপাড়া রামরতন বহুমুখি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। চন্দ্রগঞ্জ থানার এক মাত্র প্রাচীন বিদ্যাপীঠ ও দেশের বিখ্যাত অনেক সূর্য সন্তানের গর্ভধারীনি বিদ্যা পীঠের নাম দত্তপাড়া রামরতন বহুমুখি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠার পর বিগত ১১০ বছর ধরে এ বিদ্যালয়টি জ্ঞানের মশাল জ্বালিয়ে গিয়াছে এই বিদ্যালয়টি। ১৯১২ সালে দত্তপাড়া চৌধুরী বাজারের উত্তর পাশে মনোরম পরিবেশে শ্রীযুক্ত বাবু যদুনাথ গুহ রায় পূর্ব পুরুষের স্মৃতি রক্ষার্থে এই বিদ্যালয়টি স্থাপন করেন। প্রতিষ্ঠাকালে এ বিদ্যালয়ের নাম দেওয়া হয় দত্তপাড়া রামরতন ইংরেজী হাই স্কুল। পরবর্তীতে এই বিদ্যালয়টির নাম দেওয়া হয় দত্তপাড়া রামরতন বহুমুখি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। লক্ষ্মীপুর জেলার সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ থানাধীন ৮নং দত্তপাড়া ইউনিয়নের প্রান কেন্দ্র দত্তপাড়া গ্রামে অপরূপ নৈসর্গিক ছায়া সুনিবিড় পরিবেশের বিশাল জলধারা (দিঘীর) উত্তর পাশে বটতলী-চাটখীল ও বটতলী –সোনাইমুড়ি সড়কের পাশে মনোরম পরিবেশে অবস্থিত দত্তপাড়া রামরতন বহুমুখি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়। বর্তমানে বিদ্যালয়টি ১৯১২ সালে প্রতিষ্ঠা হলে ও এর আগে একই স্থানে ১৯০৫সালে জমিদার শ্রী রাধা মোহন গুহ তার পুত্র জমিদার যদুনাথ গুহকে সাথে নিয়ে এই এলাকায় শিক্ষা বিস্তারে একটি ইংরেজি বিদ্যালয় স্থাপন করে । বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পর পরি ব্রিটিশ সৈন্যরা বিদ্যালয়টিতে ক্যম্প স্থাপন করে দখল করে নেয়। ফলে বিদ্যালয়টির শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। এক পর্যায়ে ১৯১০সালে বিদ্যালয়টি পুড়িয়ে দেওয়া হয়। ১৯১২সাল মোতাবেক বাংলা ১৩১৮ সালে জমিদার যদুনাথ গুহ রায় পূর্ব পুরুষের স্মৃতি রক্ষার্থে বিপুল পরিমান ভূ-সম্পত্তি দান পূর্বক তার কাকা শ্রীযুক্ত বাবু রামরতন গুহ রায় এর নামে “দত্তপাড়া রামরতন ইংরেজী হাই স্কুল “ নাম করন করেন। ইংরেজদের পুড়িয়ে দেওয়া বিদ্যালয়টির কার্যক্রম নতুন ভাবে শুরু করেন। দত্তপাড়ার সেই জমিদারদের জমিদারী আর অতীত গৌরব আজ বিলিন হয়ে গেলেও তাদের অতীত ঐতিয্যর স্মৃতি বুকে ধারন করে কালের স্বাক্ষি হয়ে বিদ্যালয়টি এলাকার জ্ঞানের মশাল জ্বালিয়ে চলছে। ভারত বিভক্তির পূর্ব পর্যন্ত এই বিদ্যালয়ে যারা শিক্ষকতা করেছেন আদের মধ্য প্রথিত যশা কয়েকজন শিক্ষক হলেন প্রধান শিক্ষক শ্রী বারদাকৃষ্ণ মজুমদার, সহকারি শিক্ষক শশী ভূষন বোস , বাবু শ্রী এসি মিত্র এম এ, বাবু শিব প্রসন্ন চক্রবত্তী, বাবু উপেন্দ্র কুমার নাহা,বাবু অনন্ত কুমার বোস ,বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি ও গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তত্ত্বধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা্ মোহাম্মাড শাহাজাণ, বিবিসির সংবাদ পাঠক সিরাজুল ইসলাম, অধ্যাপক মনির চৌধুরি, ইঞ্জিনিয়ার মোঃ নুরুজ্জমান,ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড, তোফায়েল আহাম্মদ সহ জগত বিখ্যাত অনেক লেখক, কবি, সাহিত্যক ও সরকারের অনেক উর্ধতন কর্মকর্তা এই বিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন এবং আছেন। এ বিদ্যালয়ের ছাত্র বাবু ভূপতি চ্যাটার্জি কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ৬ষ্ঠ স্থান মিঃ রতন মিত্র ৫ বিষয়ে লেটারসহ পাশ করে পূর্ব বঙ্গে দত্তপাড়া রামরতন বহুমুখি আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের খ্যাতি সর্বত্র ছড়িয়ে দেন। এই বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় যাদের দান অবদান তাদের সম্পর্কে আলোকপাত না করলে নয়। কারন এই বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতাদের ইতিহাসের সাথে জড়িত আছে বৃহত্তর নোয়াখালীর প্রচিন ইতিহাস। আমরা জানি নোয়াখালীর প্রাচিন নাম ভুলুয়া। এই ভুলুয়া জমিদারির ১০ আনা মালিক ছিলেন দত্তপাড়ার ঐতিয্যবাহী চৌধুরী পরিবার।বাকী ৬ আনা অংশের মালিক ছিলেন ৬ জন জমিদার। য্রর কারনে চৌধুরী পরিবারের নামের আগে রাজ শব্দটি যুক্ত রয়েছে। তাদের দাবি তারা ঐতিহাসিক শুর রাজ বংশের উত্তরসূরি। ঐতিহাসিক দের মতে এক সময় মোঘল সম্রাট শুর রাজাদের কাছ থেকে রাজ্য কেড়ে নিয়ে ভুলুয়া মোঘল রাজ্য কায়েম করেন। ফলে তারা রাজত্ত হারান।পরবর্তীতে শূর বংশীয় কবি কীর্তি নারায়ন মোঘল থেকে জমিদারী বন্দোবস্ত নিয়ে ভুলুয়া জমিদারি শুরু করেন। পরবর্তীতে তারা ইংরেজ দের কাছ থেকে চৌধুরি উপাধী ধারন করেন। দত্তপাড়া পার্শবত্তী দেওয়ানজীরা চৌধুরীদের জমিদারী খাজনা আদায়ের জন্য জমিদারী এলাকার বিভিন্ন স্থানে কাচারি স্থাপন করে প্রজাদের কাছ থেকে খাজনা আদায় করেন। চৌধুরীরা দাফটের সাথে জমিদারি করতে থাকলে ও এক সময় চৌধুরীদের কাছ থেকে দেওয়ানজীরা জমিদারীর সিংগ ভাগ কিনে নেয়। এক সময় চৌধুরীদের বৌধ উদয় হয়। তারা দায়িত্ব থকে বের করে দেয় দেওয়ানদের , কিন্তু ততক্ষনে জমিদারির ১২ আনা চলে যায় দেওয়ানজীদের হাতে। এক সময় দেওয়ানরা তাদের জমিদারিতে মননিবেশ করেন । আর অপমানের প্রতিশোধ নিতে মারিয়া হয়ে উথেন। তারা নিজ বাড়িতে বড় বড় দালান ও বাড়ির পাশে বাজার বসিয়ে ও প্রজাদের মন জয় করতে পারেনি। এক পর্যায়ে চৌধুরি ও দেওয়ানদের মধ্য দা-কুমড়ো সম্পর্ক গড়ে উঠে। কে কাকে কিভাবে ক্ষতি গ্রস্থ্র করতে পারে সে চেষ্টা অব্যাহত থাকে । জানাযায় ,দেওয়ানজিরা এতো বেশি প্রতিশোধ পরায়ন হইয়ে যায় চৌধুরীদের এক অনুষ্ঠানে তারা চৌধুরীদের চাকরানীকে নিজেদের আয়ত্তে নিয়ে নেয়। চৌধুরীদের এক অনুষ্ঠানে তারা দাওয়াত খেয়ে যাওয়ার সময় চাকরানীদের দিয়ে খাবারে বিষ মিশিয়ে দেয় ।বিষ মিশ্রিত খাবার অতিথিদের পরিবেশন করা হয়। এতে ১৮০ জন বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যায়। এ হৃদয় বিদারক ঘটনা নিয়ে সে সময় থেকে এই এলাকা একটি শ্লোক প্রচলিত হয় ,তাহলো “দত্তপাড়া পূর্নকাশী, বিষ খেয়ে মরে ১৮০”। দেশ বিভক্তির পর ১৯৪৭-৪৮ সালে এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেল আব্দুল মতিন এম এ। ১৯৪৮সাল থেকে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন বিশিষ্ট কবি ও লেখক আব্দুল ওয়াদুদ এম এ বি টি।১৯৬৫ সালে থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন মজিবুল হক এম এ। ১৯৭২ সালে মজিবুল হক স্যারের মৃত্যুর পর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহন করেন নজরুল ইসলাম। ১৯৭৬সালে বিদ্যালয়ে এস এস সি পরীক্ষা কেন্দ্র চালু হয়। ১৯৮৭সালে নজরুল ইসলাম বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকপদ থেকে অবসর গ্রহন করেন। ১৯৮৭ সাল থেকে ১৯৯১ সাল পর্যন্ত এ বিদ্যালয়ে এক ক্লান্তি কাল অতিক্রম করেন.১৯৯২সালে প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহন করেন বাবু মতি লাল দেবনাথ এম এস সি বি এড.১৯৯৭ সালে তিনি দায়িত্ব থেকে অবসর গ্রহন করেন।এই সময় প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহন করেন বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র বাবু রামেন্দ্র লাল মজুমদার।২০১৫ সালে তিনি অবসর গ্রহন করার পর প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহন করেন বিদ্যালয়ের বর্তমান প্রধান শিক্ষক ও সাবেক সিনিয়র শিক্ষক মোহাম্মদ হানিফ। তার নেতৃত্বে বিদ্যালয়টি দক্ষতার সহিত পরিচালিত হয়ে আসছে।বর্তমানে এ বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান,মানবিক ও ব্যবসা শিক্ষায় ছাত্র-ছাত্রীরা অধ্যায়নের সূযোগ পাচ্ছে।

বিস্তারিত বাণী ও ইতিহাস পড়ুন

একাডেমিক তথ্য ও সেবা কেন্দ্র

ছাত্রছাত্রীদের তথ্য

বিস্তারিত
  • ছাত্রছাত্রীর আসন সংখ্যা
  • ভর্তি তথ্য ও নির্দেশিকা
  • ক্লাস ও পরীক্ষার রুটিন
  • অনলাইন ক্লাস লিংক

শিক্ষক ও কর্মকর্তা

বিস্তারিত
  • সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ

ডাউনলোড কর্নার

বিস্তারিত
  • ভর্তি ফরম ও নির্দেশিকা

একাডেমিক তথ্য

বিস্তারিত
  • সর্বশেষ নোটিশ সমূহ
ম্যানেজিং কমিটি

আমাদের সফল পরিচালনা পর্ষদ

test

test

test

সকল সদস্য দেখুন

ডিজিটাল নোটিশ বোর্ড

সব নোটিশ
সকল নোটিশ দেখুন (All Notices)

কুইক সার্ভিস লিংক

ভর্তি তথ্য ও নির্দেশিকাভর্তি ফরম ডাউনলোডক্যাম্পাস ফটোগ্যালারিপরীক্ষার ফলাফল

অফিসিয়াল শিক্ষা বাতায়ন

  • বিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ
  • এসএসসি/এইচএসসি ফলাফল
  • সেকায়েপ
  • ব্যানবেইজ
  • শিক্ষা মন্ত্রণালয়

জরুরি বাতায়ন ও পোর্টাল

  • প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট
  • শিক্ষক বাতায়ন (Teachers Portal)
  • কিশোর বাতায়ন (Konnect)
  • মুক্তপাঠ (MuktoPaath e-Learning)

সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

পরীক্ষা হল

পরীক্ষা হল

পরীক্ষা হল

পরীক্ষা হল

প্রধান শিক্ষকের বাণী
  • বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি
  • শিক্ষক ও স্টাফ তালিকা
  • বাৎসরিক ছুটির তালিকা
  • পরীক্ষার রুটিন ডাউনলোড
  • Result
  • শ্রেণিকক্ষ ও ল্যাব সুবিধা
  • পরীক্ষার ফলাফল মূল্যায়ন
  • বার্ষিক ইভেন্ট ও কার্যক্রম